কুসংস্কারপদার্থবিজ্ঞান

পৃথিবী যদি সমতল হত! [পর্ব ১] : ঢাকা থেকে দূরবীন দিয়ে হিমালয় দেখা যেত

কেমন হত যদি পৃথিবী গোল না হয়ে সমতল হত?

হাজার বছর আগেই আমরা জেনেছিলাম পৃথিবী গোল। বলতে গেলে মানুষ যখন চন্দ্রগ্রহণ আর সূর্যগ্রহণের কারণ খুঁজে পায় ঠিক তখনই পৃথিবী যে গোল মানুষ সেটা বুঝতে পারে। কারণ চাঁদের উপর পৃথিবীর গোল ছায়া প্রমাণ করে পৃথিবী অবশ্যই গোল। তারপর থেকেই বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ এবং জ্যামিতিক প্রমাণের মাধ্যমে আমরা জেনেছি পৃথিবী গোলক আকৃতির। উনিশ শতকের মাঝামাঝিতে আমরা মহাকাশে রকেট পাঠিয়ে শতভাগ শিওর হয়েছি পৃথিবীর গোলক আকৃতি নিয়ে। আমরা মহাকাশ থেকে তোলা আমদের এই সুন্দর নীল গোল পৃথিবীর অসংখ্য ছবিও দেখেছি।

কিন্তু এতকিছুর পরেও বিজ্ঞানের এই আধুনিক যুগেও কিছু মানুষ বিশ্বাস করে পৃথিবী গোল নয়, বরং সমতল। তারা এই বক্তব্য প্রতিষ্ঠা করতে তৈরি করেছে ‘ফ্ল্যাট আর্থ সোসাইটি’। আমাদের দেশেও অনেকে সমতল পৃথিবীতে বিশ্বাসী। সমতল পৃথিবীতে বিশ্বাসীরা বিভিন্ন যুক্তি দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে ভুল তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে। তাই একজন সত্যান্বেষী হিসেবে, বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে সবার ভুল ভাঙ্গিয়ে সত্য তুলে ধরাটা আমি আমার নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করি। আর সেই দায়িত্ব থেকেই সমতল পৃথিবীতে বিশ্বাসীদের বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরে এক এক করে তা খণ্ডন করার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস হাতে নিয়েছি। কতটুকু পারব জানি না। তবে চেষ্টা করে দেখা যাক। আশা করি আমার এই যাত্রায় আপনাদেরকে পাশে পাব। সবার কাছে অনুরোধ থাকবে যত পারা যায় শেয়ার করে, কপি করে সত্য ছড়িয়ে দিন। এই যুগে কেউ ভুল জেনে বসে থাকবে তা মোটেও কাম্য নয়। আপনার আশেপাশের সবাই এবং প্রিয় মানুষদের মাঝে সত্য ছড়িয়ে দিন। তারা বুঝতে শিখুক কিভাবে একটা বিষয় নিয়ে ভাবতে হয়, পর্যবেক্ষণ করতে হয় এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে সিদ্ধান্তে আসা যায়।

শূন্য পর্বের পর থেকে...

সমতল পৃথিবী ও গোল পৃথিবীর স্বরূপ

যুক্তি ৩ঃ  মনে করুন আপনি একটি বিল্ডিং এর সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। আর আপনার এক বন্ধু সেই বিল্ডিং থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে দাঁড়িয়ে আছে। এখন যদি আপনাকে জিজ্ঞেস করা হয় যে, বিল্ডিং এর ফাউন্ডেশন, রঙ এবং অন্যান্য অবস্থা বর্ণনা করতে তাহলে আপনি ভালো বর্ণনা করতে পারবেন। কিন্তু কয়েক কিমি দূরে থাকা আপনার বন্ধুটি বিল্ডিং এর কন্ডিশন ভালো ব্যাখ্যা করতে পারবে না। আর করলেও তার পর্যবেক্ষণ আপনার মত সঠিক হবে না।

ঠিক পৃথিবীর ক্ষেত্রেও তাই। পৃথিবীর কাছ থেকে পৃথিবীকে যেমন দেখা যায় সেটাই বাস্তব। দূর থেকে পৃথিবীকে গোলক দেখা গেলেও সেটা পর্যবেক্ষণের ভুল।

যুক্তি খন্ডনঃ উপরে যেটা বলা হয়েছে সেটা হলো পর্যবেক্ষণের অসামঞ্জস্যতা। কোনো কিছু পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্তে আসতে হলে অনেক সময় কাছ থেকে আবার কখনো দূর থেকে পর্যবেক্ষণ করতে হয়। সিদ্ধান্তে আসার সুবিধার্থে বিভিন্নভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হয়।

যেমন একটি পদার্থকে স্বাভাবিক দৃষ্টিতে দেখলে পদার্থটি ছাড়া আর কিছুই দেখা যায় না। কিন্তু মাইক্রোস্কোপ দিয়ে দেখলে ঐ একই পদার্থটিকে ভিন্ন দেখা যায়। ঠিক সেভাবেই খালি চোখে কোনো নক্ষত্রকে দেখলে কেবল মিটিমিটি করতে দেখা যায়। কিন্তু টেলিস্কোপ দিয়ে দেখলে সেই নক্ষত্রকে বা কোনো গ্রহকে অনেকটাই স্পষ্ট দেখা যায়।

সুতরাং, পর্যবেক্ষণের অবস্থান বা পদ্ধতি ভিন্ন হলে ফলাফল ভিন্ন আসে। তাই বলে কি আমরা যেকোনো একটা পর্যবেক্ষণকে মেনে নিব? আর অন্যটাকে বাদ দিব?

উত্তর হচ্ছে, না। দুটো পর্যবেক্ষণই ঠিক থাকবে যদি সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। আমাদেরকে এই দুই পর্যবেক্ষণের মধ্যে সম্পর্ক খুঁজে বের করতে হবে আর এটাই হচ্ছে গবেষণা।

প্রথমে কাছ দেখলে পৃথিবী সমতল দেখা যায় আর মহাকাশ থেকে দেখলে পৃথিবীকে গোলক দেখা যায়। তাহলে কোনটা সঠিক? যেকোনো একটাকে সঠিক বলে ধরে নেয়া আমরা শিখিনী। আমাদেরকে সম্পর্ক বের করতে হবে। আর এই সম্পর্ক হচ্ছে, ‘বিশাল বড় একটা বৃত্তের ক্ষুদ্র একটা অংশকে সমতল বা সরল রেখার মতই দেখা যায়’। আর পৃথিবীর ক্ষেত্রে আমরা ক্ষুদ্র মানুষ যখন পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে দেখি তখন আমরা এই বিশাল বৃত্তের কেবল একটা অংশ দেখতে পাই। আবার যখন মহাকাশ থেকে দেখি তখন পুরো গোলকটাকেই দেখতে পাই।

সুতরাং আমরা বলতেই পারি যে, সমতল পৃথিবীর বিশ্বাসীদের পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ভুল ছিল। তারা পুরো জিনিসের কেবল একটা অংশ দেখেই সিদ্ধান্তে এসেছে। তারা যদি সম্পূর্ণ ব্যাপারটাকেই ধর্তব্যে নিয়ে এর মধ্যে সম্পর্ক খোঁজার চেষ্টা করত তাহলে তাদের সমতল পৃথিবী গোল হতে বাধ্য হত।

যুক্তি ৪ঃ সমুদ্রে যখন জাহাজ চলে তখন অনেক দূরে গেলে জাহাজ ধীরে ধীরে ছোট হয়ে আর দেখা যায় না। ফ্ল্যাট আর্থারদের মতে এই ব্যাপারটি নাকি প্রমাণ করে পৃথিবী সমতল। কোনো একটা জাহাজ ছোট হতে হতে দেখা না যাবার কারণ হচ্ছে জাহাজটি দৃষ্টি সীমার বাইরে চলে যাওয়া। এখানে পৃথিবী গোল হওয়ার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।

যুক্তি খণ্ডন: উপরের সমতল পৃথিবীতে বিশ্বাসীদের যুক্তি থেকেই পৃথিবীকে গোল প্রমাণ করা যায়। কিন্তু তারা তাদের এই যুক্তিকে ব্যবহার করছে পৃথিবীকে সমতল প্রমাণ করতে। ব্যাপারটা আমার কাছে খুবই হাস্যকর ঠেকেছে। চলুন দেখা যাক সমুদ্রে জাহাজের অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার সাথে গোল পৃথিবীর কি সম্পর্ক-

কোনো কিছু যদি সমতল হয় তাহলে সেখান দিয়ে কোনো কিছু দৃষ্টি সীমার বাইরে থাকলেও দূরবীন দিয়ে ঐ বস্তুটিকে ঠিকই দেখতে পাওয়া উচিৎ। যদি ভিজিবিলিটি যথেষ্ট থাকে। কিন্তু ঐ বস্তুটিকে দেখা যাবে না যদি বস্তুটি সমতলে না গিয়ে ঢালুতে যায়। তাহলে একসময় ঢালুতে চলে গেলে দূরবীন দিয়ে দেখা সম্ভব হবে না।

জাহাজের ক্ষেত্রেও তাই হয়। জাহাজ বহুদূর গেলে সেখানে পৃথিবীর বক্রতা শুরু হয়। তাই যে ব্যক্তি পর্যবেক্ষণ করে তার সাপেক্ষে বহুদূরের জাহাজ নিচে চলে যায়। এবং নিচে চলে যাওয়ায় সাগরের পানি মাঝে বাঁধা হিসেবে কাজ করে। এর জন্যই বহুদূরে জাহাজ চলে গেলে আর দেখা যায় না, দূরবীন দিয়েও না। এটাই প্রমাণ করে পৃথিবী গোল।

আবার আপনি যদি সাগরের কোনো একটা তীরে দাঁড়িয়ে থাকেন তাহলে দেখতে পাবেন জাহাজের পাল আগে দেখা যাচ্ছে (আমরা পাল তোলা জাহাজকে বিবেচনা করছি। ব্যাখ্যার সুবিধার্থে।)। ধীরে ধীরে জাহাজের মাস্তুল আপনার দৃষ্টিগোচর হচ্ছে। এই ঘটনা কেবল সম্ভব গোল পৃথিবীর ক্ষেত্রে। পৃথিবী যদি সমতল হত তাহলে আপনি প্রথম থেকেই পুরো জাহাজটিকে পাল এবং মাস্তুলসহ দেখতে পেতেন। প্রথমে হয়তো ছোট দেখতেন তারপর ধীরে ধীরে পাল-মাস্তুলসহ জাহাজ বড় হত।

এটাকে আরো একভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। মনে করুন আপনি সাগরের তীরে আছেন আর একটি জাহাজ আপনার থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। কিছু দূর যাওয়ার পর জাহাজটি অদৃশ্য হয়ে যাবে। আপনি শক্তিশালী দূরবীন দিয়েও জাহাজটিকেও দেখতে পাবেন না আর।

কিন্তু আপনার আশেপাশে যদি কোনো পাহাড় থাকে আপনি তাতে উঠে পরেন তাহলে দূরবীন দিয়ে তাকালেই জাহাজটিকে সহজে দেখতে পাবেন। এইসব ঘটনা সমতল পৃথিবীর ক্ষেত্রে কোনভাবেই ব্যাখ্যা করা সম্ভব না। কেবল এবং কেবলমাত্র পৃথিবী গোল হলে তবেই এই ঘটনাগুলো ব্যাখ্যা করা যায়।

নিচের চিত্রে ব্যাপারটা দেখলে আরো ভালো বুঝতে পারবেন।

সমতল পৃথিবী ও গোল পৃথিবীর স্বরূপ
পৃথিবী গোল হওয়াতে বহুদূরের জাহাজ বক্রতার জন্য দৃষ্টিসীমার বাইরে চলে যায়। কিন্তু পৃথিবী সমতল হলে বহুদূর থেকেও জাহাজ দেখা যেত।

 

আপনাদের ভাবনার জন্য নিচে আগামী পর্বে যেসব যুক্তি খণ্ডন করা হবে সেগুলো দেয়া হলো। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে ভেবে দেখুন নিচের যুক্তিগুলোতে কোনো অসঙ্গতি আছে কিনা। চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিন। আর না পারলে আমিতো আছিই। পরের পর্বে সমতল পৃথিবীতে বিশ্বাসীদের আরো মজাদার কিছু অযৌক্তিক যুক্তি খণ্ডন করার পাশাপাশি নিচের যুক্তিগুলো খণ্ডন করা হবে। আর আপনারা যদি এসব যুক্তির প্রতি যুক্তি জেনে থাকেন তাহলে আমাদের পাঠকের জন্য তা কমেন্ট সেকশনে তুলে ধরতে পারেন।

ততদিনে ব্রেইনস্টর্মিং করে বিজ্ঞানচর্চা চলতে থাকুক…

স্থির পৃথিবীর পক্ষে কিছু যুক্তি

যুক্তি ৫ঃ পৃথিবী যদি গোল হয় এবং নিজ অক্ষে ঘুরতে থাকে তাহলে পৃথিবীর বাতাসও একদিক দিয়ে প্রবাহিত হত। কিন্তু আমরা দেখতে পাই যে আমাদের পৃথিবীতে বিভিন্ন দিক দিয়ে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে। পৃথিবী গোল এবং ঘূর্ণায়মান হলে এটা এরকম হওয়া সম্ভব ছিল না।

ব্যাপারটা সহজে এভাবে বলা যায়। মনে করুন আপনি ট্রেন জার্নি করছেন। এখন আপনি যদি জানালার কাছে যান তাহলে দেখবেন কেবল সামনের দিকে দিয়ে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে। ট্রেন যদি একদিকেই চলে তাহলে আপনি সবসময়ই ঐ একদিক দিয়েই বাতাস প্রবাহিত হতে দেখবেন। কখনই উল্টোদিক থেকে বাতাস প্রবাহিত হতে দেখবেন না।

পৃথিবী যদি পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘুরত তাহলে পৃথিবীর বাতাসও এই দিকেই ঘুরত। কিন্তু আমরা উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম সব দিক থেকেই বাতাসকে প্রবাহিত হতে দেখি। সুতরাং, এই দৃষ্টিকোণ থেকে পৃথিবী গোল হতে পারে না। পৃথিবী সমতল।

যুক্তি ৬ঃ পৃথিবী যদি গোল হত এবং পশ্চিম থেকে পূর্বে ঘুরত তাহলে পৃথিবীর সমুদ্রে যে পানি আছে সেগুলো আমাদের শহরগুলোকে গুড়িয়ে দিত। কারণ পৃথিবীর ঘূর্ণনের সাথে পানিও গতি পেত এবং সুনামি হত।

সুতরাং পৃথিবী গোল না, সমতল।

যুক্তি ৭ঃ মনে করুন আপনি একটি হেলিকপ্টারে করে একটা নির্দিষ্ট যায়গা থেকে উপরে উঠলেন। আপনি কেবল উপরে উঠবেন, সামনে পেছনে যাবেন না। কিছুক্ষণ পর নিচে নেমে আসলে দেখতে পাবেন যে আপনি একই যায়গায় নেমে এসেছেন। এটা কেবল পৃথিবী যদি স্থির হয় তাহলেই সম্ভব। পৃথিবী যদি ঘুরত তাহলে আপনি কখনোই ঐ আগের যায়গায় নামতে পারতেন না। হয়তো ঐ যায়গা থেকে অনেক সামনে নয়তো অনেক পেছনে নামতেন।

বিজ্ঞানীরা বলে পৃথিবী ১০০০ মাইল প্রতি ঘণ্টা বেগে পশ্চিম থেকে পূর্বে ঘুরছে। অর্থাৎ, আপনি যদি ৫০০ মাইল বেগে কোনো প্লেনে চড়ে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া রউনা হন তাহলে আপনি মালয়েশিয়া পৌঁছতে পারবেন না। আপনি বরং উল্টো প্রতি ঘণ্টায় উল্টোদিকে ৫০০ মাইল বেগে পেছনে চলে যাবেন।

কিন্তু যেহেতু আপনি পেছনে যাচ্ছেন না এবং ঠিকই কয়েকঘন্টা প্লেন জার্নির পর মালয়েশিয়া পৌঁছে যাচ্ছেন, সেহেতু পৃথিবী স্থির।

যুক্তি ৮ঃ মনে করুন আপনি কোনো পাহাড়ে উঠছেন গাড়িতে করে। অথবা কোনো হাই স্পীড ট্রেনে করে জাপানের এক শহর থেকে অন্য শহরে যাচ্ছেন। এখন যদি আপনি চোখ বন্ধও করে রাখেন তবুও আপনি বুঝতে পারবেন আপনি পাহাড়ে উঠছেন অথবা জাপানের এক শহর থেকে অন্য শহরে যাওয়ার সময় আপনি গতিশীল আছেন। ট্রেন বা গাড়ি যদি স্থির থাকে তাহলেও আপনি আশপাশ না দেখেই বলতে পারবেন আপনি স্থির আছেন।

অর্থাৎ আপনি যদি গতিশীল থাকেন বা স্থির থাকেন তাহলে আপনি না দেখেও চোখ বন্ধ অবস্থায় অনুভব করতে পারেন। পৃথিবীর ক্ষেত্রেও তো এমনটা হওয়া উচিৎ তাই না? কিন্তু আমরা পৃথিবীতে আমরা কখনই অনুভব করি না যে আমরা গতিশীল। এটাই প্রমাণ করে যে পৃথিবী স্থির, গতিশীল না।

[সমতল পৃথিবীতে বিশ্বাসী John G. Abizaid এর লেখা ৮২ পৃষ্ঠার The enlightenment of the world বই থেকে উপরের যুক্তিগুলো নেয়া হয়েছে। ]


আরো ভালো করে প্রথম দুটো যুক্তি বুঝতে চাইলে নিচের এই ভিডিও দেখে নিতে পারেন-

আপনার মতামত লিখুন :

ট্যাগ

3 মন্তব্য

  1. যুক্তি ৬-৭: গতি জড়তা থেকে আমরা জানি কোনো গতিশীল বস্তু সমবেগে একেই দিকে চলমান থাকতে চায়। গতিশীল বাস কিংবা ট্রেনে বসে আছেন চিন্তা করুন, এখন আপনি কোনো মুদ্রা বা বল কিংবা অন্য কোনো বস্তু সোজা উপরে নিক্ষেপ করলে সেটা কোথায় এসে পড়বে? হাতেই নাকি আপনার মাথার পিছনে? গতিশীল ট্রেন কিংবা বাসের মধ্যে যা কিছু আছে সবই একই বেগে একই দিকে গতিশীল। একারণেই সমুদ্রের পানি উঠে আসে না কিংবা হেলিকপ্টার পিছিয়ে যায় না।

  2. বাকি যুক্তিগুলো পরবর্তী পর্বেই পায়ে যাবেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back to top button
Close