বিবিধ

“প্রথমবারের মতো সূর্যের প্রান্ত থেকে ফিরে এসেছে NASA-র Parker Solar Probe এর পাঠানো বীম”

 

সেই বাল্যকাল থেকেই আমরা পাঠ্যপুস্তকে, শিক্ষকদের কাছে, বাবা-মার কাছ থেকে শুনে, শিখে বড় হয়েছি যে সকল শক্তির উৎস হচ্ছে সূর্য। সকল শক্তির আধার হলো আমাদের এই সূর্য্যি মামা। জীববিজ্ঞানে যেমন কোনো কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র বা Power House হলো মাইটোকন্ড্রিয়া ঠিক তেমনি আমাদের এই পৃথিবীর সকল শক্তির উৎস হচ্ছে এই সূর্য। মজার ব্যাপার হচ্ছে যতই মাইটোকন্ডিয়াকে কোনো কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র বলা হোক না কেন, সূর্য ব্যতীত কিন্তু এটিও অচল। তা কীভাবে হয় এর বিস্তারিত ব্যাখায় যেয়ে আমি নষ্ট করবো না। আপনারা জীববিজ্ঞান বইটি পড়লেই তা জানতে পারবেন। বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন এই সূর্যের রহস্য উদ্ঘাটনে। অনেক ধরণের মহাকাশযান পাঠিয়ে বিভিন্ন ধরণের সোলার মিশন এখন অবধি সম্পন্ন করা হয়েছে কিন্তু সূর্যের একদম কাছে কোনো মহাকাশযান বা যন্ত্র পাঠিয়ে গবেষ্ণা করাটা ছিলো যেমন কল্পনীয় তেমনি দুঃসাধ্য এক স্বপ্ন। তবে NASA কেবল এই শুধু এই দুঃসাধ্য স্বপ্নকে সাধনই করে নি বরং গড়েছে এক নতুন ইতিহাস। তাহলে কী এমন ইতিহাস গড়ে তুললো NASA? NASA এমন একটি মহাকাশযান তৈরী করে মহাকাশে পাঠিয়েছে যা কেবল সূর্যের রহস্যই উদ্ঘাটন করে ক্ষান্ত হবে না বরং মহাকাশযানটি সূর্যের একদম কাছে যেয়ে তা থেকে তথ্য সংগ্রহ করে, ছবি তুলে তার উপর গবেষণা চালাবে যা আগের কোনো মিশনেই করা সম্ভবপর হয় নি। তাহলে ইতিমধ্যে আপনাদের মহাকাশযানটির নাম শুনতে ইচ্ছে করছে তাইনা? মহাকাশযানটির নাম রাখা হয়েছে “Parker Solar Probe.” এই নামটি কোথা থেকে এসেছে তার বিস্তারিত পরে বলছি। এমনকি এই মহাকাশযানটিকে পাঠানোর মাত্র ১৪ মাসের মধ্যেই গড়ে তুলছে আরেক নতুন অভাবনীয় অর্জন। আর তাহলো NASA-র পাঠানো Parker Solar Probe মহাকাশযানটি তার পাঠানো বীম এই প্রথম সূর্যের প্রান্ত থেকে ফিরে পেয়েছে। খবরটি খুবই চিত্তাকর্ষক মনে হচ্ছে না? তবে হ্যাঁ বিস্তারিত বলার আগে চলুন জেনে আসা যাক NASA-রএই দুর্ধর্ষ Parker Solar Probe এর ব্যাপারে।

 

Parker Solar Probe:

চিত্রঃ John Hopkins Applied Physics Laboratory তে নির্মাণাধীন অবস্থায় “Parker Solar Probe”

আমাদের সূর্য্যি মামাকে নিয়ে আরও বেশি তোড়জোড় গবেষণা চালানোর জন্য NASA বিশ্বের সবেচেয়ে তাপ সহনশীল একটি রোবোটিক মহাকাশযান তৈরী করেছে যার নাম হলো এই “Parker Solar Probe.” তাহলে এই মহাকাশযানটিকে কেনো আমরা বিশ্বের সবচেয়ে তাপ সহনশীল মহাকাশযান কেনো বলছি? তার কারণ হলো এই মহাকাশযানটি সূর্যের একদম পাশ ঘেঁষে তা থেকে ডেটা সংগ্রহ করবে এবং ছবি তুলে তার উপর গবেষণা চালিয়ে তার রহস্য উদ্ঘাটন করবে। আর আমরা সবাই জানি যে, সূর্য হলো একটি জ্বলন্ত অগ্নিপিন্ড যার কেবল পৃষ্ঠের তাপমাত্রা হলো ১০ হাজার ফারেনহাইট (৫৬০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস)। আর যতই সূর্যের কেন্দ্রের দিকে যাবে ততই তার তাপমাত্রাও ক্রমাগতভাবে বাড়তে থাকবে। সূর্যের কেন্দ্রে এর তাপমাত্রা ২৭০০০০০০ ফারেনহাইট (১৫০০০০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এ পৌছায়। তবে একবার ভেবে দেখুন যে সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা এতো বেশি হওয়া সত্ত্বেও মহকাশযানটি সূর্যের পাশ ঘেঁষে পরিভ্রমণ করে তার উপর গবেষণা চালাবে। যেখানে অন্য কোনো মহাকাশযান হলে তা পুড়ে ভস্ম হয়ে যাওয়ার কথা সেখানে এই Parker Solar Probe মহাকাশযানটি নির্বিঘ্নে অবিরাম গতিতে সূর্য থেকে প্রতিনিয়ত ডেটা সংগ্রহ করছে এবং ছবি তুলে যাচ্ছে। তাহলে এবার হয়তো আপনারা উত্তর পেয়ে গেছেন যে কেনো এই মহাকাশযানটিকে বিশ্বের সবচেয়ে তাপ সহনশীল মহাকাশযান বলে অভিহিত করা হচ্ছে। এই মহাকাশযানটিকে NASA ২০১৮ সালের ১২ই আগস্ট উৎক্ষেপণ করে যা সূর্যের বাইরের স্তরের “করোনা (Corona)” কে পর্যবেক্ষণ করবে। এই স্পেস প্রোবটি সূর্যের কেন্দ্র থেকে ৯.৮৬ সৌর ব্যাসার্ধ ( ৬.৯ মিলিয়ন কিলোমিটার বা ৪.৩ মিলিয়ন মাইল) – এ পৌঁছাবে। আর ২০২৫ সাল নাগাদ তা ৬৯০০০০ কি.মি/ঘন্টা (৪৩০০০০ মাইল) বা আলোর গতির ০.০৬৪% এর গতিতে দ্রুততম কাছাকাছি পৌঁছে যাবে। এই প্রোবটির নকশা থেকে শুরু করে তৈরী করা অবধি সম্পূর্ণ অবদান হচ্ছে “John Hopkins University Applied Physics Laboratory” এর। আর এটিই প্রথম একটি মহাকাশযান যার নামকরণ করা হয় একজন জীবিত মানুষের নামানুসারে। আর তিনি হলেন University of Chicago এর প্রফেসর এমিরেটস এবং বিখ্যাত পদার্থবিদ Eugene Parker.

Parker Solar Probe এর বীম প্রথম বারের মতো সূর্যের প্রান্ত থেকে ফিরে এসেছেঃ

চিত্রঃ ৩ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সালে “Parker Solar Probe” এর অবস্থান।

NASA-র Parker Solar Probe প্রথম পর্যবেক্ষণেই দুটি বাজিমাত করেছে আর তাহলো প্রথমত এই মহাকাশযানটি এখন পর্যন্ত পাঠানো অন্যান্য সকল মহাকাশযানের থেকে সূর্যের অত্যন্ত কাছ থেকে উড়েছে এবং দ্বিতীয়ত প্রথম পর্যবেক্ষণেই সূর্যের প্রান্ত থেকে Parker Solar Probe তার বীম ফিরে পেয়েছে। আর এই প্রথম পর্যবেক্ষণে সংগৃহীত ডেটা থেকে আরও কয়েকটি চমকপ্রদ রহস্য উন্মোচন হতে যাচ্ছে যেমনঃ কেনো সূর্যের বাতাবরণ (যেটিকে আমরা Corona নামে জেনে থাকি ) তার পৃষ্ঠের চেয়ে কয়েকশ গুণ বেশি উষ্ণ এবং তার পাশাপাশি সৌর বায়ুর সুনির্দিষ্ট উৎস সম্পর্কেও আমরা জানতে চলেছি। University of California এর পদার্থবিদ প্রফেসর Stuart Bale বলেছেন,

“আমাদের এখন পর্যন্ত হওয়া প্রথম ৩টি সোলার প্রোবের মোকাবিলা ছিলো অত্যন্ত দর্শনীয়।“

Bale এর মধ্যে অন্যতম একটি মহাকাশযানের যন্ত্রপাতির গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন,

“আমরা করোনার (Corona) চৌম্বকীয় কাঠামোকে দেখতে পাচ্ছি যা আমাদের বলে দেয় যে ছোটো করোনাল গর্ত থেকে সৌর বায়ুর উদ্ভব হয়। আমরা বড় জেটস বা সুইচব্যাক গুলোর প্রেরণামূলক ক্রিয়াকলাপ দেখতে পাই যা আমরা মনে করি সৌর বায়ুর উৎসের সাথে সম্পর্কিত। আমরা ধুলোবালির পরিবেশের উগ্রতা দেখেও অবাক হয়েছি।“  

চিত্রঃ উৎক্ষেপণের পর থেকে এখন পর্যন্ত সূর্য থেকে Parker Solar Probe এর দূরত্বের গ্রাফ

বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন যে, এখন পর্যন্ত যতোগুলো মহাকাশযান সূর্যের সামনে দিয়ে পরিভ্রমণ করেছে Parker Solar Probe তার চেয়ে সাতগুণ বেশি কাছ দিয়ে পরিভ্রমণ করবে। পরবর্তী ৬ বছর ধরে এই গাড়ির আকারের মহাকাশযানটি একদম কাছাকাছি উপবৃত্তাকার কক্ষপথকে অনুসরণ করবে এবং অবশেষে এটি সূর্যের এতো কাছ দিয়ে ঘুরে বেড়াবে যে এটি সূর্যকে টেকনিক্যালি স্পর্শ করবে। এতো কাছের কোয়ার্টারে থাকার একটি অসুবিধা হলো যে Parker মহাকাশযানটি বাড়িতে অর্থাৎ পৃথিবীতে ছবি পাঠাবেনা। যদি এটি সূর্যের চারদিকে ঘুরতে থাকে তবে এর ক্যামেরাটি গলে যাবে। সুতরাং মহাকাশযানটির যন্ত্রগুলি এর চারপাশে সতর্ক দৃষ্টি দিয়ে রাখবে এবং সৌর বায়ু তৈরী করবে এমন সুপারসনিক চার্জযুক্ত কণার প্রবাহকে পরিমাপ করে। পূর্বে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে সূর্যের বায়ুতে দুটি প্রধান উপাদান রয়েছেঃ একটি “দ্রুত” যা প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার ভ্রমণ করে (এটি সূর্যের মেরু অঞ্চলে দৈত্যকার গর্ত থেকে আসে ) এবং দ্বিতীয়টি হলো “ধীর” বাতাস যা প্রতি ৫০০ কিলোমিটার নীচে ভ্রমণ করে যার উৎস অজানা। Parker Solar Probe টি ধীর গতি সম্পন্ন বাতাসটিকে পর্যবেক্ষণ করেছে এবং সূর্যের নিরক্ষীয় অঞ্চলের চারপাশে ছোটো ছোটো করোনাল গর্ত গুলিতে সন্ধান করে। এমন সৌর কাঠামো আগে কখনো পর্যবেক্ষণ করে পাওয়া যায় নি। করোনাল গর্ত গুলো শীতল, কম ঘন অঞ্চল, যার মাধ্যমে চৌম্বকীয় ক্ষেত্রগুলি মহাকাশে প্রবাহিত হয়; চার্জযুক্ত কণার পাশাপাশি প্রবাহিত হওয়ার জন্য চ্যানেল হিসেবে কাজ করে। Parker Solar Probe টির পর্যবেক্ষণগুলো এটিও ব্যাখ্যা করে যে কেনো “করোনা (Corona)” এতো বেশি গরম।

Parker Solar Probe Fields instrument at Imperial College London এর সহ পর্যবেক্ষক Professor Tim Horbury বলেন,

“সূর্যের করোনার তাপমাত্রা হলো মিলিয়ন ডিগ্রি আর পৃষ্ঠতল তো কেবল হাজার ডিগ্রি।“

তিনি আরও বলেন,

“এ যেন পৃথিবীর পৃষ্ঠের তাপমাত্রাও একই ছিলো তবে এর বায়ুমন্ডল ছিলো কয়েক হাজার ডিগ্রি। তা কীভাবে কাজ করে? আপনি দূরে যাওয়ার সাথে সাথে তা শীতল হওয়ার প্রত্যাশা করবেন।“

প্রোবটির তির্যকভাবে করা পর্যবেক্ষণ থেকে জানা গেছে যে সৌর বাতাসের কণাগুলি অবিচ্ছিন্ন প্রবাহে বেরিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে বিস্ফোরক জেটগুলিতে প্রকাশিত হয়েছিলো বলে মনে হয়েছিলো। Professor Tim Horbury বলেন,

“এটি ঠুং ঠুং শব্দ, ঠুং ঠুং শব্দ।“

Professor Tim Horbury আরও বলেছেন যে,

“সূর্যের অভ্যন্তরে থেকে তার বায়ুমন্ডলে শক্তির এই দ্রুত মুক্তি পাওয়া সৌর পৃষ্ঠের  তুলনায় বায়ুমণ্ডলটি কেনো বিস্ময়করভাবে উষ্ণ হয় তা ব্যাখ্যা করতে সহায়তা করে।“

চিত্রঃ সৌর বায়ু (Solar Wind) এর মধ্য দিয়ে অতিক্রম
করছে “Parker Solar Probe”

আরেকটি আশ্চর্যজনক তথ্য হচ্ছে সূর্যের কাছাকাছি অঞ্চলটি হলো ধূলিকণাময়। একদম নিকটতম কক্ষপথে অভিগমনের সময় সূক্ষ্ম ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ধূলিকণাগুলো হিট শিল্ডের তাপের কারণে আটকে গিয়েছিলো যা হাই রেজ্যুলেশন (High Resolution) ক্যামেরায় ধারণকৃত ছবিগুলোতে সাদা লাইন হিসেবে প্রদর্শিত হয়েছিলো। এটি গ্রহাণু এবং ধূমকেতুগুলোর অবশেষ যা সূর্যের কাছাকাছি এসেছিলো বলে মনে করা হয় , তাদের বাষ্পীভবন ঘটায় এবং কেবল ধূলাবালি রূপে থেকে যায়। নতুন পর্যবেক্ষণের রিপোর্টগুলো তখন তৈরী হয়েছিলো যখন Parker Solar Probe টি সূর্য থেকে প্রায় ১৫ মিলিয়ন মাইল (২৪ মিলিয়ন কিলোমিটার) দূরে ছিলো কিন্তু অবশেষে এটি পৃষ্ঠের প্রায় ৬ মিলিয়ন কিলোমিটারে উড়ে যাবে যা পূর্ববর্তী নিকটতম মিশনের চেয়ে ৭ গুণ বেশি সেটি ছিলো ১৯৭৬ সালের হেলিওস ২ মহাকাশযানটি (Helios 2 spacecraft)।

Parker Solar Probe মহাকাশযানটি যে চরম পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলো তার জন্য দরকার অপ্রচলিত উপকরণ এবং মহাকাশযানটির নকশা। মহাকাশযানটির সাদা সিরামিকের তৈরী হিট শিল্ডটি প্রায় ১৪০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (২৫৫২ ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় পৌঁছে যাবে। এটি সূর্যের কাছাকাছি যাওয়ার সাথে সাথে এর সোলার প্যানেলগুলি হিট শিল্ডের ছায়াতলে ফিরে আসে আর কেবল মাত্র একটি  ক্ষুদ্র অঞ্চল শক্তি উৎপাদনের জন্য উন্মুক্ত থাকে। এই মহাকাশযানটি সূর্যের সাপেক্ষে তার দ্রুততম গতির জন্য একটি রেকর্ডও ভেঙ্গে ফেলেছে। Professor Tim Horbury বলেন যে,

”এটি একটি খুবই দুঃসাহসিক মিশন। এটি সত্যি চরম এবং এই মিশনে রয়েছে অভাবনীয় প্রকৌশল বিদ্যার প্রচেষ্টা।“

এই তথ্যগুলোর রিপোর্ট নিয়ে বিখ্যাত “Nature” জার্নালে তিনটি পেপারও প্রকাশিত হয়েছে।

আমরা মনুষ্যজাতিরা এতোটাই জ্ঞানপিপাসু যে কোনো কিছুকে জয় করা মাত্র আমরা ক্ষ্যান্ত হই না। প্রযুক্তির উন্নতির ক্রমধারায় আমরা যেমন জয় করেছি চন্দ্রকে তেমনিভাবে জয় করার চেষ্টা চলছে অতল সমুদ্রকে। কিন্তু এবার মনুষ্যজাতি  জয় করতে যাচ্ছে এক দুঃসাহসিক অভিযানকে আর তাহলো আমাদের সূর্যকে। এখন অবধি কোনো মহাকাশযান সূর্যের এতোটা কাছে যেয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে নি যা Parker Solar Probe করতে পারছে। এটি অবশ্যই এক অভাবনীয় অর্জন সমগ্র মানবজাতির জন্য। হয়তো প্রযুক্তির এই উন্নতির ফলে আমরা পুরো মহাবিশ্বকে একদিন জয় করে ফেলতে কামিয়াব হবো আর সেই স্বপ্ন হয়তো বিজ্ঞানীগণও দেখছেন। সমগ্র জগতে থাকবে শুধু মানবজাতির জয় জয়কার আর তারই প্রচেষ্টায় বিজ্ঞানীগণ রয়েছেন তুমুল প্রচেষ্টারত।

Source: NASA, NASA Parker Solar Probe, The Guardian

আপনার মতামত লিখুন :

Back to top button
Close