মহাকাশ

আমাদের সৌরজগৎ(পর্ব ৪)ঃ সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতি!

বৃহস্পতির চৌম্বক ক্ষেত্র বা ম্যাগনেটিক ফিল্ড সৌরজগতের সব গ্রহ থেকে শক্তিশালী। পৃথিবী থেকে তা প্রায় ২০ হাজার গুণ শক্তিশালী।

আমরা অনেকেই হয়ত জানি যে বৃহস্পতি গ্রহ হচ্ছে আমাদের সৌরজগতের মধ্যে সবথেকে বৃহত্তম গ্রহ। জুপিটার বা বৃহস্পতির নামকরণ করা হয় রোমান পুরানের দেবরাজ এর নাম থেকে। একই ভাবে গ্রীকরা তাদের দেবতাদের প্রধান জিউস এর নামানুসারে বৃহস্পতি গ্রহের নাম রেখেছিল। ১৬১০ সালে গ্যালিলিও প্রথম আবিষ্কার করেন বৃহস্পতির ৪ টি উপগ্রহ, আইও, ইউরোপা, গ্যানিমিড এবং ক্যালিস্টো। এগুলো গ্যালিলিয়ান মুন নামে পরিচিত। এই আবিষ্কারের মাধ্যমেই প্রথমে মানুষ দেখতে পারে পৃথিবী বাদেও অন্য কোনো গ্রহকে কেন্দ্র করে উপগ্রহ ঘুরছে। এতে কোপার্নিকাসের বিখ্যাত মতবাদটি আরও জোরালো স্বীকৃতি পায় এবং প্রায় নিশ্চিত হওয়া যায় পৃথিবী এই মহাবিশ্বের কেন্দ্র হতে পারেনা।

This new Hubble Space Telescope view of Jupiter, taken on June 27, 2019, reveals the giant planet’s trademark Great Red Spot, and a more intense color palette in the clouds swirling in Jupiter’s turbulent atmosphere than seen in previous years.

সৌরজগতের সবগুলো গ্রহকে নিয়ে একত্রে একটি বল বানালেও তা আকারে বৃহস্পতির সমান হতে পারবেনা; সবগুলো গ্রহের মিলিত আকার থেকে বৃহস্পতি গ্রহ প্রায় দ্বিগুণ বড়! এই গ্রহটি বর্তমান আকার থেকে আরো ৮০ গুণ বড় হলে তা একটি নক্ষত্রে পরিণত হতো গ্রহের বদলে। বৃহস্পতি গ্রহের আয়তনের হিসাব বর্ণনা দিতে গেলে বলা যায় যে আমাদের পৃথিবীর আকারের মোট ১৩০০ গ্রহকে এর ভেতর স্থান দেয়া যাবে! যদি বৃহস্পতি হয় একটি বাস্কেটবলের আকারের তবে পৃথিবী হবে আঙ্গুর!

বৃহস্পতির কেন্দ্র নির্মিত অজানা ঘন এক মিশ্রণ দ্বারা যা আবৃত গলিত ধাতব হাইড্রোজেন পূর্ণ হিলিয়ামের স্তর দ্বারা এবং গ্রহের ব্যাসের প্রায় ৮০-৯০ শতাংশ পর্যন্ত এই স্তর বিস্তৃত। বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল নির্মিত হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন দ্বারা। আমরা যে রঙ্গিন এবং গাড় কিছু ব্যান্ড দেখি পুরো গ্রহের চারিদিকে, এটি তৈরি হয় শক্তিশালী পূর্ব- পশ্চিমের বায়ুর প্রবাহের ফলে। গ্রহের উপরিভাগের বায়ুমণ্ডল প্রায় ৫৩৯ কিলোমিটার/ ঘন্টা গতিতে প্রবাহিত হয়। রঙিন ব্যান্ড গুলোর মাঝে অবস্থিত সাদা মেঘ তৈরি হয় কঠিন এমোনিয়ার ক্রিস্টালের মাধ্যমে। আবার ভেতরের মেঘ গুলোর স্ট্রাইপের রঙ নীল! যাইহোক মেঘের এই রঙ সমূহ প্রতিনিয়তই পরিবর্তনশীল। বৃহস্পতি গ্রহের সবচেয়ে ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট হচ্ছে দানবীয় লাল ফোটা! এটি একটি বিশাল হ্যারিকেনের ন্যায় ঝড় যা প্রায় ৩০০ বছর আগে পরিলক্ষিত হয়েছিল। এই ঝড়টি পৃথিবীর আকারের দ্বিগুণ, ঘড়ির কাঁটার উল্টোদিকে ঘুরে এবং কেন্দ্রের গতি গন্টায় প্রায় ৬৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। ঝড়ের এই রঙ ইটের মতো লাল অথবা হাল্কা বাদামী এবং এর কারণ হচ্ছে এমোনিয়ার ক্রিস্টাল মেঘে সালফার আর ফসফরাসের উপস্থিতি। এই ”স্পট” বা ফোটা টি ক্রমশ ছোটো হচ্ছে, তবে সংকুচিত হওয়ার রেট খুবই কম।

বৃহস্পতির চৌম্বক ক্ষেত্র বা ম্যাগনেটিক ফিল্ড সৌরজগতের সব গ্রহ থেকে শক্তিশালী। পৃথিবী থেকে তা প্রায় ২০ হাজার গুণ শক্তিশালী। এর ফলে গ্রহটি বিভিন্ন চার্জিত বৈদ্যুতিক কণাসমূহকে নিজের ইলেক্ট্রন বেল্টে আকর্ষিত করে ধরে রাখে এবং খুবই উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন একটি রেডিয়েশন বেল্ট তৈরি হয়। এটি মানুষের সহ্য ক্ষমতা থেকে ১০০০ গুণ শক্তিশালী এবং একটি ভারী মহাকাশযান ধ্বংসের ক্ষমতা রাখে, উদাহরণস্বরূপ বলা যায় নাসা’র গ্যালিলিও প্রব এর কথা। বৃহস্পতি গ্রহ অন্য সব গ্রহ থেকে দ্রুত ঘুরে। মাত্র ১০ ঘন্টায় নিজের অক্ষে ঘূর্ণন সম্পন্ন করে! এত দ্রুত ঘূর্ণনের ফলে গ্রহের বিষুবে স্ফীতি ঘটেছে এবং মেরুগুলো একরকম সমরূপতার আকৃতি নিয়েছে। বৃহস্পতি গ্রহ দ্বারা নিসৃত রেডিও তরঙ্গ প্রচন্ড শক্তিশালী যা পৃথিবী থেকে সহজেই সনাক্ত করা যায়। দুটি মাধ্যমে এই বিকিরণ সনাক্ত করা যায়, যখন লো বা বৃহস্পতির সর্ব নিকটের উপগ্রহ উচ্চ চৌম্বক ক্ষেত্র সম্পন্ন এলাকার পাশ দিয়ে অতিক্রম করে যায় তখন রেডিও তরঙ্গের বিকিরণ লক্ষ্য করা যায়। আবার গ্রহের উল্লিখিত রেডিয়েশন বেল্টের প্রভাবেও বিকিরণ সংঘটিত হয়ে থাকে।

সূর্য থেকে বৃহস্পতির দূরত্ব প্রায় ৭৭৮,৪১২,০২০ কিলোমিটার যা পৃথিবীর দূরত্বের ৫ গুণ। সূর্যের সবচেয়ে নিকটবর্তী অবস্থানে থাকার সময় দূরত্ব হয় ৭৪০,৭৪২,৬০০ কিলোমিটার এবং সবচেয়ে দূরবর্তী অবস্থানের থাকার সময় দূরত্ব হয়  ৮১৬,০৮১,৪০০ কিলোমিটার।

৪ টি উপগ্রহ এবং আরো বেশ কিছু ছোটো ছোটো উপগ্রহ সহ বৃহস্পতির রয়েছে মোট ৭৯ টি নিজস্ব স্যাটেলাইট বা উপগ্রহ। পুরো ব্যবস্থাকে বলা যায় বৃহস্পতির একটি ছোটো  আলাদা সৌরজগত! আগেই বলা হয়েছে চারটি বড় উপগ্রহ আইও, ইউরোপা, গ্যানিমেড এবং ক্যালিস্টো আবিষ্কার করেছিলেন গ্যালিলিও গ্যালিলিগ্যানিমেড হচ্ছে আমাদের সৌরজগতের মধ্যে সবথেকে বৃহত্তম উপগ্রহ। এটি এতটাই বড় যে আকারের সীমা বুধ এবং প্লুটোকেও অতিক্রম করে! এটি একমাত্র চন্দ্র যার নিজস্ব চৌম্বক ক্ষেত্রে রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে গ্যানিমেডে বরফ বা তরল পানি পূর্ণ সমুদ্রের স্তর রয়েছে। European Jupiter Icy Moons Explorer(JUICE) মহাকাশযান গ্যানিমেডের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে ২০২২ সালের দিকে এবং পৌছাবে ২০৩০ সালে।

Ganymede

আইও(Io) উপগ্রহটি হচ্ছে সৌরজগতের মধ্যে আগ্নেয়গিরির দিক থেকে সবচেয়ে সক্রিয়। আগ্নেয়গিরি থেকে সালফার উদ্গীরণের ফলে আইও-কে অনেকটা পিপেরনি পিজ্জার মতো রঙের দেখায়। যখন এটি বৃহস্পতিকে প্রদক্ষিণ করে তখন শক্তিশালী মহাকর্ষ আইও এর আগ্নেয়গিরিকে প্রচন্ড সক্রিয় করে তোলে উত্তাপের মাধ্যমে।

ইউরোপার বরফ হয়ে যাওয়া গিরিখাত গুলো পানি দ্বারা পূর্ণ এবং ধারণা করা হয় এর গহীনে রয়েছে বিশাল পানির সমুদ্র যাতে থাকতে পারে পৃথিবী থেকেও দ্বিগুণ পরিমাণে পানি! Spoadic Plumes নামক একটি স্থান যেটা দক্ষিণ মেরুতে অবস্থিত সেখান থেকে তরলীকৃত পানি উদগীরণ হয় বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। নাসার ইউরোপা ক্লিপার মিশন এই বছরেই সংঘটিত হওয়ার কথা যা ইউরোপাকে প্রদক্ষিণ করবে এবং প্রাপ্ত তথ্যসমূহের সত্যতা যাচাই করবে। এটাও দেখবে যে এখানে মানব বসতি স্থাপন করা সম্ভব কীনা।ক্যালিস্টো হচ্ছে চার গ্যালিলিয়ান উপগ্রহের মধ্যে সবচেয়ে কম আলো প্রতিফলন ক্ষমতা সম্পন্ন উপগ্রহ। এর থেকে বুঝা যায় গ্রহটির সার্ফেস কালো পাথর সংবলিত যৌগ দ্বারা নির্মিত।

Europa
Spoadic Plumes 

বৃহস্পতির রিং বা বলয় গুলো প্রথমে আবিষ্কৃত হয় ১৯৭৯ সালে যখন নাসার ভয়েজার ১ মহাকাশযান বিষুবীয় অঞ্চলে এদের উপস্থিতি দেখতে পায়। অবশ্য সেগুলো শনির বলয় থেকে যথেষ্ট হালকা। প্রধান বলয়টি ৩০  কিলোমিটার পুরু এবং ব্যাস ৬৪০০ কিলোমিটার। অভ্যন্তরীন বলয়টি প্রায় ২০০০০ কিলোমিটার পুরু। এটি গঠিত হয়েছে প্রধান বলয়ের তড়িত চৌম্বকীয় বিকিরণের ফলে আসা বস্তুদের সমন্বয়ে। তৃতীয় বলয় কে বলা হয় gossamer বা অতি পাতলা বলয়। এটি গঠিত হয়েছে Amalthea, Thebe , Adrastea উপগ্রহ থেকে আসা বিভিন্ন ধ্বংসাবশেষের মাধ্যমে যা গ্রহের কেন্দ্র থেকে ১২৯,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

বৃহস্পতি গ্রহকে উদ্দেশ্য করে এখন পর্যন্ত মোট ৭ টি মিশন পরিচালনা করা হয়েছে যেখানে মহাকাশযান গুলো গ্রহটির পাশ দিয়ে উড়ে গিয়েছে। পাইওনিয়ার ১০, পাইওনিয়ার ১১, ভয়েজার ১, ভয়েজার ২, আলিসিস, ক্যাসিনি এবং নিউ হরাইজন। নাসার দুটো মিশন গ্যালিলিও এবং জুনো মিশনের মাধ্যমে মহাকাশযান বৃহস্পতিকে প্রদক্ষিণ করেছে। আরো দুটি মিশন এখনও বাস্তবায়নের অপেক্ষায় আছে বৃহস্পতির গ্রহগুলোকে পর্যবেক্ষণের জন্য, নাসার ইউরোপা ক্লিপার এবং ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির European Jupiter Icy Moons Explorer(JUICE) মিশন। পাইওনিয়ার ১০ দেখিয়েছে বৃহস্পতির সেই কুখ্যাত রেডিয়েশন বেল্ট কতটা সক্রিয় ও বিপদজ্জনক! পাইওনিয়ার ১১ থেকে রেড স্পট বা দানবীয় লাল ফোঁটা  সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সহ বৃহস্পতির ছবি সংগ্রহ করা হয়েছে। ভয়েজার ১ এবং ভয়েজার ২ এর মাধ্যমে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ৪ গ্যালিলিয়ান উপগ্রহ এবং বৃহস্পতির মানচিত্র সম্পর্কে ধারণা পেয়েছেন, বৃহস্পতির বলয় আবিষ্কার করেছেন, আইও তে সালফারের আগ্নেয়গিরির উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং বৃহস্পতির মেঘে বজ্রপাত সহ অনেক গভীর তথ্য পাওয়া গিয়েছে। তাছাড়াও জানা গেছে সৌর বায়ুর প্রভাবে বৃহস্পতির চৌম্বকক্ষেত্রের পরিবর্তন সম্পর্কে। নিউ হরাইজন বৃহস্পতির সবচেয়ে পাশ দিয়ে উড়ে গিয়েছে এবং আমরা পেয়েছি কিছু কাছ থেকে তোলা ছবি এবং উপগ্রহের বিভিন্ন অবস্থানের চিত্র। ১৯৯৫ সালে একটি প্রব পাঠানো হয়েছিল বৃহস্পতির উদ্দেশ্যে গ্রহের বায়ুমণ্ডল এবং এতে উপস্থিত বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ সম্পর্কে তথ্য প্রাপ্তির জন্য। যখন প্রবটির জ্বালানি শেষ হয়ে যায় তখন সেটিকে বৃহস্পতির পৃষ্ঠে ইচ্ছেকৃতভাবে ক্র্যাশ করানো হয় যাতে তা ইউরোপা তে আছড়ে না পড়ে সেটিকে দূষিত করে ফেলে। বর্তমানে একমাত্র সক্রিয় আছে নাসার  জুনো মিশন। জুনো বৃহস্পতিকে মেরু থেকে প্রদক্ষিণ করছে এবং অনুসন্ধানের চেষ্টা করছে কীভাবে আমাদের সৌরজগত গঠিত হলো যা অন্যান্য এলিয়েন প্লানেটারি সিস্টেম সম্পর্কে ধারণা বিস্তৃত করতে সহায়তা করবে। বৃহস্পতির কেন্দ্র সম্পর্কে জুনো আমাদের এক বিষদ তথ্য প্রদান করেছে।

Juno
NASA’s Juno spacecraft captured this stunning view of Jupiter on Feb. 17, 2020.

যেহেতু বৃহস্পতি আমাদের সৌরজগতের সব থেকে বড় গ্রহ, সূর্যের সাথে বৃহস্পতির মাধ্যাকর্ষণ আমাদের সৌরজগতের আকৃতি ধরে রাখতে বিষদ ভূমিকা পালন করেছে। বৃহস্পতি এবং শনির মাধ্যাকর্ষণের ফলে বিপুল পরিমানে মহাজাগতিক বর্জ্য অন্যান্য গ্রহে পতিত হওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছে। এটাও ধারণা করা হয়ে থাকে যে বৃহস্পতি অনেক উল্কা এবং গ্রহাণুপিণ্ডের আঘাত থেকে পৃথিবীকে নিরাপদ রাখে যেগুলোর বেশিরভাগই বৃহস্পতির পৃষ্ঠে পতিত হয়। বৃহস্পতি না থাকলে পৃথিবী সহ অন্য গ্রহ গুলোকে ছিন্নভিন্ন করে দিত! বিভিন্ন ধরনের উল্কাপাত, নীহারিকার পতন ইত্যাদি প্রতিনিয়তই আঘাত করছে বৃহস্পতির পৃষ্ঠে। বৃহস্পতির চৌম্বক ক্ষেত্রের আকর্ষণে বেশ কিছু গ্রহাণুপিন্ড এখন গুচ্ছ বেধে গ্রহের সূর্যকে প্রদক্ষিণের সাথে সাথে নিজেরাও বৃহস্পতির সাথে ঘুরছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে বৃহস্পতিতে কি কোনো ধরনের প্রাণ থাকতে পারে? বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলের গভীরতা বাড়ার সাথে সাথে এর তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পায়। একটা স্তরে এসে তাপমাত্রা হয় প্রায় ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং চাপ থাকে পৃথিবীতে বায়ুমণ্ডলের চাপের প্রায় ১০ গুণ। বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন যদি জীবন থেকে থাকে গ্রহটিতে তবে এ স্তরেই সেগুলো থাকার সম্ভাবনা বেশি। যদিও বিজ্ঞানিরা এখন পর্যন্ত কোনো রকমের জীবনের সন্ধান পাননি। আগেই বলেছি, গভীর অনুসন্ধান এখনো পুরোপুরি ভাবে করা সক্ষম হয়নি বিভিন্ন জটিলতায়। তবে আশা করা যাচ্ছে খুব নিকট ভবিষ্যতে মহাকাশযান গুলো বৃহস্পতি এবং উপগ্রহ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য আমাদের দিবে যা থেকে হয়ত দেখা যাবে সেখানেও বসতি স্থাপন করা সম্ভব! কে জানে!

সূত্রঃ space.com, NASA, wikipedia

আরো জানুনঃ মঙ্গলগ্রহ, বুধগ্রহ, শুক্রগ্রহ

আপনার মতামত লিখুন :

ট্যাগ
Back to top button
Close