বিবিধ
জনপ্রিয়

ভারতে নিষিদ্ধ হলো TikTok

৫৯ টি চাইনিজ App এর বিরুদ্ধে ভারতের সাংঘর্ষিক অবস্থান

বর্তমান সময়ে তরুণদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাপগুলোর মধ্যে একটি হলো, ছোট আকারের ভিডিও প্ল্যাটফর্ম – টিকটক। তবে এটি ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম বা অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে অনেকটাই ভিন্ন ধরনের। টিকটক এমন একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, যেখানে বিভিন্ন গান, বিখ্যাত সিনেমার সংলাপসহ নানা রকম অডিওর সঙ্গে ঠোঁট মিলিয়ে বা অভিনয় করে ছোট ভিডিও তৈরি করে সবার সাথে শেয়ার করা যায়। 

 টিকটক ১৫৫ টি দেশ এবং ৭৫ টিরও বেশি ভাষায় ব্যবহার করা যায়। কীভাবে এত অল্প সময়ের মধ্যে এত বিশাল ব্যবহারকারী সংগ্রহ করতে পেরেছে এই App, তা সত্যিই আশ্চর্যের। তবে এই বিশাল সংখ্যক ব্যবহারকারীদের মধ্যে অধিকাংশই এশিয়া মহাদেশের। বিশেষ করে ভারতের। ভারতের মার্কেটে আসার পরেই টিকটক দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়তে থাকে।  ভারতে  ২০ কোটির বেশি ব্যাবহারকারী বলিউড বা হলিউডের বিভিন্ন নাচ, গান, সংলাপ এবং কৌতূককে অনুকরণ করে ছোট ছোট ভিডিও তৈরি করতেন। আর এর ফলে ভারত টিকটকের বৃহত্তম বৈশ্বিক বাজার হিসেবে গড়ে উঠেছিল।

টিকটকের শুরুর গল্প

ছোট আকারের মজার ভিডিও শেয়ারের অবিশ্বাস্য রকম জনপ্রিয় এই প্ল্যাটফর্মটির ইতিহাস জানার আগে যেটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ তা হচ্ছে, এর যাত্রা কিন্তু টিকটক হিসেবে শুরু হয়নি। চীনের খ্যাতনামা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সের মালিকানাধীন অ্যাপ টিকটক। চীনা এই টেক জায়ান্টের মালিকানায় রয়েছে বেশ কিছু জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং অ্যাপ। প্রতিষ্ঠানটির সদরদপ্তর বেইজিংয়ে অবস্থিত। বাইটড্যান্স বর্তমানে ৭৫ বিলিয়ন ডলারের মালিক। এই সম্পদ, প্রতিষ্ঠানটিকে বিশ্বের সবচেয়ে দামি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলোর একটিতে পরিণত করেছে। কোম্পানিটি বিশ্বের বড় বড় ভেঞ্চার ক্যাপিটাল সংস্থাগুলোর কাছ থেকে বিনিয়োগ লাভ করেছে। যেমন: সফটব্যাংক, সিকোয়িয়া ক্যাপিটাল এবং জেনারেল আটলান্টিক।

২০১২ সালে নিউজ অ্যাপের পাশাপাশি চীনের আরো বেশ কিছু জনপ্রিয় অ্যাপের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে খ্যাতি পায় বাইটড্যান্স। ওই বছরই প্রতিষ্ঠানটি উইচ্যাটের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বাজারে নিয়ে আসে ‘ফ্লিপচ্যাট’ অ্যাপ এবং ‘ডুওসান’ নামে একটি ভিডিও মেসেজিং অ্যাপ। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে বাইটড্যান্স চীনে চালু করে শর্ট-ভিডিও অ্যাপ ‘ডুয়িন’। ছোট আকারের ভিডিও তৈরির অ্যাপ চীনের বাজারে নতুন কিছু নয়। কিন্তু আকর্ষণীয় ফিচারের কারণে দ্রুত জনপ্রিয়তা পায় ডুয়িন। মাত্র এক বছরের মধ্যে অ্যাপটি দশ কোটি ব্যবহারকারী এবং প্রতিদিন একশ কোটি ভিডিও ভিউয়ের মাইলফলক অর্জন করে।

এক বছর পরে, ডুয়িন অ্যাপটি চীনের বাইরে নির্দিষ্ট কিছু আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন নাম ‘টিকটক’ হিসেবে যাত্রা শুরু করে। এবং এই ভিডিও প্ল্যাটফর্মটি থাইল্যান্ড, জাপান এবং এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোয় শীর্ষ জনপ্রিয় অ্যাপের তালিকায় খুব দ্রুত চলে আসে। কিন্তু টিকটক যখন বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে শুরু করে, সেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি অ্যাপ ‘মিউজিক্যালি’ ইতিমধ্যেই বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করে ফেলে। ‘মিউজিক্যালি’ অ্যাপে ঠোঁট মিলিয়ে ১৫ সেকেন্ডের মজার মিউজিক ভিডিও তৈরি করা যায়।

২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপ স্টোরে সবচেয়ে বেশি ডাউনলোডেড অ্যাপ হিসেবে ১ নম্বর অবস্থানে জায়গা করে নেয় মিউজিক্যালি এবং এই শীর্ষ তালিকা থেকে অ্যাপটিকে আর টলানো যায়নি। জ্যাকব সার্টোরিয়াসের মতো নতুন প্রজন্মের অনেক সংগীত তারকার সৃষ্টি হয় মিউজিক্যালি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে। 

মিউজিক্যালি থেকে টিকটক

ছোট আকারের ভিডিও তৈরির আরেকটি জনপ্রিয় অ্যাপ ‘ভাইন’। এতে ৬ সেকেন্ডর ভিডিও তৈরি করে শেয়ার করা যায়। ২০১৬ সালের অক্টোবরে ‘ভাইন’ বন্ধ হয়ে যায়। ভাইন এর মাধ্যমে খ্যাতি পাওয়া সোশ্যাল মিডিয়ার অনেক তরুণ তারকা তাদের মিউজিক প্রতিভা চালিয়ে নেয়ার জন্য চলে আসেন মিউজিক্যালি অ্যাপে। এরপর ২০১৭ সালের নভেম্বরে প্রতিদ্বন্দ্বী মিউজিক্যালি অ্যাপটিকে ১০০ কোটি ডলারের বিনিময়ে কিনে নেয় বাইটড্যান্স। চীনের এই কোম্পানিটি তাদের ছোট আকারের ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ‘মিউজিক্যালি’ এবং ‘টিকটক’- দুটি আলাদা আলাদা অ্যাপ হিসেবে পরিচালনা করতে থাকে। 

এক বছরের কম সময়ের মধ্যে ২০১৮ সালের আগস্টে বাইটড্যান্স এক ঘোষণায় জানায়, মিউজিক্যালি অ্যাপটি বন্ধ করে দেয়া হবে। এরপর অ্যাপটির কার্যক্রম টিকটকের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। মিউজিক্যালি অ্যাপের সকল ব্যবহারকারীদের প্রোফাইল স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়ে যায় টিকটকে। মিউজিক্যালি এবং টিকটক অ্যাপ একত্রিত হয়ে ‘টিকটক’ নামে যাত্রা শুরু করে। এ প্রসঙ্গে মিউজিক্যালি অ্যাপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা অ্যালেক্স ঝু সেসময় এক বিবৃতিতে বলেন, ‘মিউজিক্যালি এবং টিকটক একত্রিত হয়ে যাওয়ায় একটি অ্যাপেই উভয় ধরনের অভিজ্ঞতা উপভোগ করা সম্ভব হবে। আমাদের লক্ষ্য এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেখানে সবাই ভিডিও তৈরি করতে পারবে।’

চীন-ভারত উত্তেজনা

টিকটকের এই তুমুল জনপ্রিয়তায় বাদ সাধে সাম্প্রতিক চীন-ভারত উত্তেজনা। জাতীয় নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগের জন্য টিকটক, উইচ্যাট, ইউসি ব্রাউজার সহ মোট ৫৯টি চীনা অ্যাপকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। লাদাখের সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনার প্রাণ হারানোর দু সপ্তাহ পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার।

সোনাম ওয়াংচুকের “বয়কট চায়না” স্লোগান

লাদাখ সিমান্তে সংঘর্ষের পর পরই আরেকটি আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঘটনায় হোঁচট খায় বহুল জনপ্রিয় App টিকটক। ‘‌যুদ্ধে লড়তে হবে না, ভাতে মারুন চীনকে’‌, ইউটিউবে সাধারণ দেশবাসীর উদ্দেশ্যে এমনই বার্তা দিয়েছিলেন ভারতের জনপ্রিয় বিজ্ঞানী সোনাম ওয়াংচুক। সোনাম ওয়াংচুক সেই বিজ্ঞানী যার জীবন গল্পের ওপর থ্রি ইডিয়েটসের বিখ্যাত চরিত্র “ফুংসুক ওয়াংড়ু” তৈরি হয়েছিল। সোনাম দীর্ঘদিন ধরে লাদাখে কাজ করছেন। স্থানীয় শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি থেকে শুরু করে বিশ্বজুড়ে অনেক কাজ করেছেন এই বিজ্ঞানী। তিনি বার্তা দিয়েছেন,

‘‌চীনকে সেনারা জবাব দেবে বুলেটের মাধ্যমে, আর সাধারণ মানুষ জবাব দেবে ওয়ালেটের মাধ্যমে।’‌

মানে চীনকে হাতে না মেরে, ভাতে মারার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

লাদাখে হিমালয়ের পাদদেশে বসে রেকর্ড করা ভিডিওটি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে পোস্ট করেন তিনি। সেখানে চীনা সীমান্তে ভারতীয় সেনার সঙ্গে চীনা সেনার স্ট্যান্ড অফের প্রসঙ্গ তোলেন। তারপর বলেন,

‘‌চীনা দ্রব্য আমাদের বয়কট করা দরকার। ১৩০ কোটি ভারতীয় ও প্রবাসী ৩ কোটি ভারতীয় যদি চীনা দ্রব্য বয়কট করেন, তাহলে সেই দেখে গোটা পৃথিবী হয়ত এমন করবে। তাহলেই চীনের অর্থব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। তাতে চীনের মানুষরা রেগে যাবে এবং চীনও শক্তি হিসাবে দুর্বল হয়ে পড়বে।’

তাঁর এমন বক্তব্যে ভারতে চীনা পণ্যসহ চীনা App বর্জন করার হিড়িক পড়ে। আর এই বর্জনকৃত Apps গুলোর মধ্যে টিকটক অন্যতম। টিকটক ইন্ডিয়ার প্রধান নিখিল গান্ধী জানিয়েছেন, ভারতীয় সরকার ৫৯টি অ্যাপ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার মধ্যে টিকটকও আছে। এ সিদ্ধান্ত মেনে নিচ্ছে টিকটক।

নিখিল গান্ধী বলেন যে, ভারতীয় আইন মোতাবেক সমস্ত নিরাপত্তা ও ডেটা প্রাইভেসি সংক্রান্ত নিয়ম মেনে চলে টিকটক। চীনা সরকারসহ কোনও বিদেশি সরকারকে এই তথ্য তুলে দেওয়া হয় না বলেই জানান তিনি।

বহু ভারতীয় ব্যাবহারকারীর লাখ লাখ রুপি আয়ের উৎস ছিলো টিকটক। সেই আয়ের উৎস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন টিকটক তারকারা। ভারতের টিকটকের সবচেয়ে বেশি আয় করতেন জান্নাত জুবায়ের। ২০১৯ সালে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি টিকটক ডাউনলোড হয়েছে ভারতে— ৩২কোটি ৩০ লাখ। যা বিশ্বের মোট টিকটক গ্রাহকদের ৪৪ শতাংশ। একটি সমীক্ষা বলছে, টিকটকে গড়ে এক জন গ্রাহক সময় কাটান ৪৫ মিনিট। সেখানে ভারতীয় গ্রাহকরা প্রতি দিন গড়ে ৩৮ মিনিট ব্যবহার করতেন এই অ্যাপ।

ভারতে নিষিদ্ধ হলো টিকটক

ইতিমধ্যেই ভারতে গুগল প্লেস্টোর এবং অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে টিকটক, ক্লাব ফ্যাক্টরি, শেয়ারইট, লাইকি, মি ভিডিও কল, ওয়েইবো, বাইদু-র মতো চীনা অ্যাপ সরিয়ে দেয়া হয়েছে। শেয়ারচ্যাটের পক্ষে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে। ভারতের ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশনও এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের মতে, ডিজিটাল দুনিয়ায় আত্মনির্ভর হওয়ার এটাই সময়।

টিকটক সম্পর্কে কিছু মজার তথ্য

চলুন আজকে এই ট্রেন্ডিং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটক সম্পর্কে আরো কিছু জানা অজানা তথ্য জেনে নেইঃ

  • গ্লোবাল ওয়েব ইনডেক্স এর মতে টিকটকের ৪১% ব্যবহারকারীদের বয়স ১৬-২৪ বছরের মধ্যে। হবেই না বা কেন? এই বয়সের ছেলেমেয়েরা চায় নিজেকে মেলে ধরতে, সবার ভালবাসা পেতে, সবার কাছে জনপ্রিয় হতে। আর এই সুযোগটিই অল্প বয়সী তরুণ-তরুণীদেরকে করে দিয়েছে টিকটক। কেননা টিকটকে অভিনয় করে, গান বা নাচ করে কিংবা কৌতূক করেই সৃজনশীল উপায়ে নিজেকে প্রকাশ করার সুযোগ পায় তারা। তবে টিকটক বড়দের কাছে যে একেবারেই জনপ্রিয় নয় তা ঠিক নয়। কেননা টিকটকের ত্রিশোর্ধ ব্যবহারকারীদের সংখ্যাও প্রায় ৩৪%।
  • Sensor Tower এর মতে ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসের মধ্যে টিকটকের ডাউনলোড সংখ্যা ১.৫ বিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। আর ২০১৯ সালের প্রথম কোয়ারটারে ৩৩ মিলিয়ন ডাউনলোড নিয়ে এটিই ছিল অ্যাপল অ্যাপ স্টোরের সর্বাধিক ডাউনলোডকৃত অ্যাপ। যার ফলে অ্যাপটি সেরা ৫ এ থাকা ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারকে খুব ভালভাবেই পেছনে ফেলে।
  •  টিকটকে জনপ্রিয়তার কারণে বেশ কয়েকজন ব্যবহারকারীর বর্তমানে আন্তর্জাতিক তারকাদের সমতুল্য খ্যাতি পেয়েছেন। উদাহরণস্বরূপ লিন নাস এক্সের কথা বলা যেতে পারে। তার ‘ওল্ড টাউন রোড’ গানটি টিকটকের কারণে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়, অগণিত ভিডিও এবং ‘মিম’তে এটি ব্যবহৃত হয়।
  •  বর্তমানে টিকটকের সবচেয়ে জনপ্রিয় তারকা হচ্ছেন ১৭ বছর বয়সি লরেন গ্রে। প্রথমে তিনি মিউজিক্যালিতে অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন। বর্তমানে টিকটকে লরেন গ্রের ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩ কোটি।
  •  টিকটক যেমন জনপ্রিয় তেমনি বিতর্কিত। অ্যাপটির মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি ও অপসংস্কৃতি ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে।

গানের কথার সঙ্গে আকারে ছোট ভিডিও তৈরির সুযোগ থাকায় দ্রুত বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছে ‘টিকটক’। তবে এবার অ্যাপটির জনপ্রিয়তায় ভাগ বসাতে ‘শর্ট ভিডিও’ চালু করছে ইউটিউব। ফিচারটির সাহায্যে ১৫ সেকেন্ডের ভিডিও তৈরি করে ব্যাকগ্রাউন্ডে বিভিন্ন গান যুক্ত করা যাবে। এমনকি চাইলে গিটার, ড্রামস বা বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের শব্দও যুক্ত করা যাবে। ফলে একই গানের একাধিক অংশের ভিডিও তৈরি করে ইউটিউবে আপলোড করার সুযোগ মিলবে।

তথ্যসূত্রঃ business insider, economic times, business insider[2], cnbc.com

আপনার মতামত লিখুন :

ট্যাগ

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back to top button
Close